জকিগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় সীমান্ত নদী কুশিয়ারার ভাঙন এবং এর ফলে দেশের মানচিত্রে সম্ভাব্য পরিবর্তনের সম্ভাবনার লক্ষণ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো আবুল হাছনাত হুমাযুন কবীর সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট/২২ শ্রাবণ) দুপুরে তিনি জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটের সম্মুখ থেকে হাইদ্রাবন্দ এলাকা পর্যন্ত নদীভাঙন পরিদর্শন করেন।
এ সময় মহাপরিচালক ভাঙনের প্রকৃতি ও এর প্রভাবে সীমান্তের ও মানচিত্রের পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন।
এলাকাবাসী তাকে জানান, দেশের অন্যান্য নদীভাঙনের তুলনায় জকিগঞ্জে সীমান্তবর্তী কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের প্রভাব ভিন্ন। এখানে নদীভাঙনের ফলে সীমান্তবর্তী ভূমি বিলীন হলে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়।
এপর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৬০০ একর ভূমি কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কারণে ভারতের দিকে চলে গেছে বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জকিগঞ্জ–কানাইঘাট আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে জকিগঞ্জে সীমান্ত নদীর ভাঙন ও দেশের মানচিত্রে এর প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দ, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সামুয়েল সাংমা, বিজিবির সুবেদার মো শাহ আলম, জকিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো সুজন মিয়া, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না ও কোষাধ্যক্ষ কে এম মামুন সহ বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।