জিয়া ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা ও জনমুখী রাজনীতির প্রবক্তা

প্রকাশিত May 30, 2026
জিয়া ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা ও জনমুখী রাজনীতির প্রবক্তা

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা, জনমুখী রাজনীতির প্রবক্তা ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্রচিন্তার সফল রূপকার। তার আদর্শ, কর্মধারা ও জাতীয়তাবাদী দর্শন আজও দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রেরণার উৎস।
শনিবার (৩০ মে/১৬ জ্যৈষ্ঠ) বিকেলে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে হযরত শাহজালাল (র) দরগা মসজিদ প্রাঙ্গণে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিতে জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের অবিচল রক্ষক। আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের যে স্বপ্ন তিনি জাতির সামনে তুলে ধরেছিলেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তার দেশপ্রেম, সততা ও জনগণমুখী রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন, শহীদ জিয়ার শাহাদত জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্মকে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বের শিক্ষা দিয়ে যাবে। তার আদর্শকে ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নিতে হবে।
এ সময় সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জাতীয় ঐক্য। দেশী-বিদেশী নানা ষড়যন্ত্রের মুখে তিনি শাহাদতবরণ করেন। তার আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল শেষে অসহায়, দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক, শাহ জামাল নূরুল হুদা, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, নাজিম উদ্দিন লস্কর ও ইকবাল আহমদ; উপদেষ্টা কামরুল হাসান শাহীন; যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, কোহিনুর আহমদ, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, আবুল কাশেম, শাকিল মোর্শেদ ও জসিম উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন; আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদরুল হোসেন চৌধুরী; ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আল মামুন খান; গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজিজুর রহমান; সহ দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম; সহ কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজা; সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অর্জুন ঘোষ ও মনিরুল ইসলাম তুরন; সহ স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা নাজিম উদ্দিন; সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন পান্না; সহ কৃষিবিষয়ক সম্পাদক শামসুর রহমান সুজা; সহ ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আহমদ সোলায়মান; সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আকবর হোসেন; সদস্য জসিম উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন, আশরাফুল আলম বাহার, উপদেষ্টা নূরুল আমিন দুলু, উপজেলা বিএনপি নেতা আকবর আলী ও রিফল আহমদসহ জেলা এবং উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে আব্দুস সালাম টিপু, আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিম ও আজহার আলী অনীকসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এদিকে, শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলার আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি