প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিলেট-ম্যানচেস্টার-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে।
এ উপলক্ষে রবিবার (৫ জুলাই/২১ আষাঢ়) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যানচেস্টার থেকে আগত যাত্রীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক উদ্যোগ ও নির্দেশনায় এ রুট পুনরায় চালু হয়েছে, যা যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশী, বিশেষ করে সিলেটি প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে।
তিনি বলেন, সরকার এ রুটের নিয়মিত ও টেকসই পরিচালনায় বদ্ধপরিকর। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, বিমান ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা এবং রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট-কক্সবাজার রুট পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ কেন্দ্র (রিজিওনাল হাব) হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পরিচালনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ সম্প্রসারণে সরকার ইতিবাচকভাবে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, সিলেটে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নত বিমান যোগাযোগের মাধ্যমে পর্যটন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। নিরাপদ, আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব বিমানসেবা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সৃষ্টিই সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় মন্ত্রীগণ ম্যানচেস্টার-সিলেট রুটের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
পরে মন্ত্রীগণ ও উপদেষ্টা ম্যানচেস্টার থেকে আগত যাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
যাত্রীরা ফ্লাইটটি পুনরায় চালু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং নিয়মিত এ সেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পুলিশ সুপার ড চৌধুরী যাবের সাদেক, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা। পিআইডি