সরকারিভাবে হবিগঞ্জ মুক্ত দিবস উদযাপনের দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের

প্রকাশিত December 6, 2016
সরকারিভাবে হবিগঞ্জ মুক্ত দিবস উদযাপনের দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রতিবছর ৬ই ডিসেম্বর সরকারিভাবে হবিগঞ্জ মুক্তদিবস উদযাপন করতে মুক্তিযোদ্ধারা দাবি জানিয়েছেন।
১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় তেলিয়াপাড়া ডাকবাংলো থেকে সারা দেশকে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর বিভক্ত করা হয়। ৩নং সেক্টরের দায়িত্ব পান তৎকালীন মেজর শফিউল্লাহ। তার নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকার দুর্গম অঞ্চলগুলোতে পাকিস্তানিদের সাথে তুমুল যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। ডিসেম্বরের শুরুতে মুক্তিবাহিনী জেলা শহরের কাছাকাছি এসে পৌঁছে তিন দিক থেকে আক্রমণ করেন। ৫ই ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে পরদিন ভোর রাতে পাক সেনা ও রাজাকারদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেন। সদর থানা কম্পাউন্ডে বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে জেলার ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আহত হন ৩৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়া নিরীহ অসংখ্য মানুষ হানাদারদের নিষ্ঠুরতায় শহীদ হন। তেলিয়াপাড়া, ফয়জাবাদ, কৃষ্ণপুর, নলুয়া চা বাগান, বদলপুর ও মাখালকান্দিতে বধ্যভূমি রয়েছে।
প্রতিবছরের মতো এবারও জেলা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নানা কর্মসূচিতে দিনটি উদযাপন করেছে।