সিলেট সিটি কর্পোরেশন-সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের এক আলোকিত জনপদ। এখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করছেন।
তিনি আরও বলেছেন, “সকল সম্প্রদায়ের সম্মিলিত সহাবস্থানের মাধ্যমেই আমরা একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলেছি।’
বাংলাদেশ কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদ, সিলেট জেলা শাখার ২২তম এবং বিভাগীয় শাখার ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (২০ জুন/৬ আষাঢ়) মহানগরীর বন্দরবাজারে ব্রহ্ম মন্দিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সমাজের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং সংগঠনটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে সকল সম্প্রদায়ের পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সামাজিক ঐক্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মধ্য দিয়েই দেশ ও জাতির উন্নয়ন সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন (বাপ্পু), অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, অ্যাডভোকেট বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, নিহার রঞ্জন দাশ বাচ্চু, শিবব্রত ভৌমিক চন্দন ও অ্যাডভোকেট মিন্টু কুমার মণ্ডল। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সুসেন্দ্র চন্দ্র সরকার খোকন।
বাংলাদেশ কাশ্যপ কল্যাণ পরিষদ, সিলেট জেলা ও বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সুখময় বিশ্বাস যাদব।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সংগঠনের অতীত কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করেন এবং ভবিষ্যতে সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি