যুগে যুগে সুফি-সাধক, প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও বীর দেশপ্রেমিকদের জন্ম দেওয়া পুণ্যভূমি সিলেটের গৌরবময় শিকড়ের সন্ধান ও পূর্বসূরিদের অমর কীর্তিগাথা নিয়ে প্রকাশিত ‘সিলেটের কৃতিজন’গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন/৬ আষাঢ়) সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউতে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, পুণ্যভূমি সিলেটের যে ১১৩ কৃতিজনের জীবনী এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে, তাদের পাশাপাশি আরও অনেক শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও আমলা আছেন যারা সমাজের জন্য অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তাদের সেই অনন্য কাজ ও অবদান নিয়েও আগামীতে বই লেখা উচিত।
নতুন প্রজন্মের মাঝে এই গৌরবময় ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ”আমি অনুরোধ করবো সিলেটের কৃতি ও কৃতিত্ববান মানুষদের নিয়ে লেখা এসব বই যেন প্রতিটি লাইব্রেরীতে রাখা হয়, যাতে আমাদের যুবসমাজ সহজেই এই ইতিহাসের সংস্পর্শে আসতে পারে। তবে কেবল বই পৌঁছে দিলেই হবে না, তরুণদের মাঝে বই পড়ার নিয়মিত চর্চা বাড়াতেও আমাদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”
সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”সিলেট অঞ্চলের মানুষ দেশকে যা দিয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের প্রতিদান পায়নি। এ নিয়ে এখন আমাদের সবাইকে আওয়াজ তুলতে হবে।”
সিলেটের সার্বিক উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব নিয়ে এখানকার সকল কৃতিজন, রাজনীতিবিদ ও আমলাদের একসঙ্গে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ‘সিলেটের কৃতিজন’ গ্রন্থের সম্পাদক ও প্রকাশক আলাউদ্দিন আল আজাদ তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ”এই গ্রন্থ রচনার পেছনে আমাদের একটিই মূল প্রেরণা, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাসের আয়নার সামনে দাঁড় করানো, যেন তারা নিজেদের শিকড়কে দেখতে পায় এবং উপলব্ধি করতে পারে যে, তাদের পূর্বপুরুষেরা কেবল নিজেদের জন্য নয়, বরং দেশ ও জাতির জন্য এক গৌরবময় ও ঈর্ষণীয় উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ ও বাংলাদেশ বিচিত্রার প্রধান উপদেষ্টা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড কাজী খলীকুজ্জামান আহমদসহ সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি