নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী, দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) হাফিজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান (এলএলবি) বলেছেন, তারা চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর ভোট একবাক্সে নিয়ে আসার জন্য কাজ শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তাদের দলের প্রচেষ্টায়ই মূলত ১১ দলীয় মোর্চা বা জোট গঠন করা হয়; কিন্তু জোটের একটি দল জামায়াতে ইসলামী ভিনদেশীদের প্রেসক্রিপশনে ইসলামী মনোনভাব ও চেতনা থেকে বেরিয়ে আসে। সেটি তারা মেনে নিতে পারেননি। তাই তাদের দলের আমির পীর সাহেব চরমোনাই সেই মোর্চা বা জোট থেকে বেরিয়ে আসেন। কারণ ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্যই হচ্ছে, রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি/১২ মাঘ) দুপুরে সিলেট মহানগরীর পূর্বজিন্দাবাজারে একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মাহমুদুল হাসান জানান, সিলেট সিটি করপোরেশনের গত নির্বাচনে তিনি মেয়র প্রার্থী ছিলেন; কিন্তু ভোট সুষ্ঠু হয়নি বলে দলের নির্দেশে আগের দিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এবার সিলেট-১ আসনে দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রচার-প্রচারণাকালে তিনি জনসাধারণের অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন। যদি মানুষ তাকে ভালোবেসে-যোগ্য মনে করে নির্বাচিত করে তাহলে তিনি সিলেট-১ আসন এলাকাকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত এবং সুখী-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলবেন।
মতবিনিময়কালে তিনি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে বলেন, নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজদেরকে প্রথমে তার সঙ্গে ফাইট করতে হবে।
আরো জানান, প্রবাসীরা যাতে দেশে এসে কোনো সমস্যায় না পড়েন সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হবে। নারীদের নিরাপদ কর্মস্থল গড়তেও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। এছাড়া বেকার তরুণ ও যুবসমাজকে প্রশিক্ষিত করে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে রূপান্তর করা হবে। ব্যবসা ও ব্যবসায়ীবান্ধব সিলেট গড়ে তোলা হবে ইনশাল্লাহ।
মতিবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা ও মহানগর শাখার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।