সীমান্তে তৎপরতা ও নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে জুড়ীতে বিজিবির প্রেস ব্রিফিং

প্রকাশিত February 6, 2026
সীমান্তে তৎপরতা ও নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে জুড়ীতে বিজিবির প্রেস ব্রিফিং

সাইফুল ইসলাম সুমন, জুড়ী : সীমান্তে তৎপরতা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির প্রস্তুতি সম্পর্কে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে কর্নেল মো আতাউর রহমান সুজন, এসইউপি জুড়ীতে প্রেস ব্রিফিং করেছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি/২৩ মাঘ) বিকেলে তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজে স্থাপিত বিজিবির বেইজ ক্যাম্পে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
এতে লে কর্নেল মো আতাউর রহমান সুজন জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ৫২ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সিলেট ও মৌলভীবাজারের ৪টি উপজেলার ৩০৫টি ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাড়ে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব কার্যকর ও সুসংগঠিতভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে ৪টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প, যেখান থেকে বিজিবি সদস্যরা স্থায়ী ফোর্স হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি জানান, সীমান্তবর্তী উপজেলাসমূহে বিজিবির একক এবং অন্যান্য এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অধিনায়ক জানান, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বেইজ ক্যাম্পকেন্দ্রিক নিয়মিত টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রোড ব্লক স্থাপন ও চেকপোস্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুলাংশে জোরদার করা হয়েছে।
বর্তমানে ভোটকেন্দ্রসমূহ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অপারেশন ডেভিল হান্টের (ফেজ-২)-এর আওতায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে বিজিবি সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করছে।
১৫টি বিওপির আওতাভুক্ত ১১৩.৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার এবং চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচারসহ সকল প্রকার সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহৃত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ২৯ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ডেটোনেটর, পাইপগান, নাশকতামূলক সরঞ্জাম ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।