সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর/১৩ কার্তিক) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়।
সভায় বক্তারা এই ধরনের হামলাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায় আখ্যায়িত করে অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
অন্যথায় সিলেটের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে হুশিয়ারি দেন।
এছাড়া সভা থেকে বেশ কিছু কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি আল আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম নবেল, দৈনিক বৃহত্তর সিলেটের মানচিত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফয়সল আহমদ বাবলু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি সজল ঘোষ, দৈনিক আধুনিক কাগজের প্রকাশক, সাবেক সহ সভাপতি সাঈদ চৌধুরী টিপু, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউল হক ডালিম, সদস্য মামুন হাসান, ইমরান আহমদ, সদস্য, আজকের সিলেট ডটকম সম্পাদক রজত কান্তি চক্রবর্তী, কালবেলার ব্যুরো প্রধান মিঠু দাস জয়, সংগঠনের সদস্য ওলিউর রহমান, সদস্য, দৈনিক শ্যামল সিলেটের সিনিয়র রিপোর্টার আতিকুর রহমান নগরী, শ্যামল সিলেটের স্পোর্টস ইনচার্জ কাইয়ুম আল রণি, আহমেদ শাহীন, নাজাত আহমদ পুরকায়স্ত, জয়ন্ত কুমার দাস প্রমুখ
উল্লেখ্য, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের খবর পেয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করতে গিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বারা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন দৈনিক শ্যামল সিলেটের ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল ও নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল সিলেটভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নিজস্ব প্রতিবেদক নিবেন্দু তালুকদার। তারা দুজনই সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা এ দুজনকে স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত করেন। নির্যাতিত সাংবাদিকরা বার বার নিজেদের পরিচয়পত্র দেখিয়েও রক্ষা পাননি হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাত থেকে। তারা বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি