নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনের স্থগিতাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর/১০ কার্তিক) বিকেলে মহানগরীর দরগা গেইট এলাকায় একটি হোটেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ এই দাবি জানিয়ে হুশিয়ারি দিয়েছে, অন্যথায় আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে সিলেট চেম্বার নির্বাচন স্থগিতের পর আহুত জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ফাহিম আহমদ চৌধুরী।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয়ের স্পষ্ট সম্ভাবনা দেখে একটি পক্ষ নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে।
এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ফাহিম আহমদ চৌধুরী বলেন, একটা পক্ষ সিলেট চেম্বারের নির্বাচন চায় না। তারা সবসময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে থাকে। এই পক্ষই জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন দিয়ে নির্বাচন স্থগিত করিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রশাসনের লোক দিয়ে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা হবে না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভোটার তালিকাভুক্ত ৪২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। পরে অভিযুক্ত ভোটার ও অভিযোগকারীদের নিয়ে বসে নির্বাচন কমিশন কয়েক দফা যাচাই-বাছাই করার পর অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রাখা হয়। এরপর ভোটার তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা চক্রান্ত ছাড়া কিছু নয়।
ফাহিম আহমদ চৌধুরী জানান, তাদের প্যানেলের দু’জন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে; কিন্তু কেন বাতিল করা হয়েছে সে সংক্রান্ত কোনো দালিলিক প্রমাণ তাদেরকে দেওয়া হয়নি।
সিলেট চেম্বারের বর্তমান প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও আপিল বিভাগ সম্পূর্ণ ব্যর্থ বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী হুমায়ূন আহমেদ, সহসভাপতি প্রার্থী মাসুম ইফতিখার রসুল সিহাব, সাবেক সভাপতি ফয়েজ হাসান ফেরদৌস, সাবেক সহসভাপতি আব্দুস সামাদ, আতিক হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, সাবেক পরিচালক হাফিজুর রহমান, ভোলাগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বশির আহমদ, ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম, আক্তার চৌধুরী রুবেল, লিবন আহমদ, হাসান কবির ও সকল পরিচালক প্রার্থী।