সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতীক্ষায় এখন পুরো দেশ। সিলেটবাসীও এই প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রস্তুত রয়েছেন।
তিনি আরো বলেছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ইতিহাসের বাঁকবদল ঘটাবে। এ ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন অধ্যায়। ২৫ ডিসেম্বরের জনসমাবেশে বদলে যাবে রাজনীতির ভাষা। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য গণসংবর্ধনা ও বিশাল জনসমাবেশের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাতির উদ্দেশে সুস্পষ্ট বার্তা দিবেন, বাংলাদেশে আর কোনো ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর/৬ পৌষ) সন্ধ্যায় মহানগরীর প্লাটিনাম লাউঞ্জ মিলনায়তনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিএনপি মনোনীত সিলেট জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছতে হবে।
তিনি বলেন, “এই ৬টি আসন আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই।”
সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই তারাই দেশকে বারবার বিভ্রান্ত করছে।
ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে নৈরাজ্যবিরোধী সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক পিপি, মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু), মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, নাজিম উদ্দিন লস্কর, উপদেষ্টা মামুন রশিদ, যুগ্মসম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, মামুনুর রশিদ মামুন, সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, আবুল কাশেম, শাকিল মোর্শেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, শফিকুর রহমান, মুশিকুর রহমান মুহি, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন প্রমুখ।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি