সিলেট সিটি কর্পোরেশন-সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আলোকচিত্র সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম। আলোকচিত্রীরা ক্যামেরার মাধ্যমে সমাজের নানা বাস্তবতা মানুষের সামনে তুলে ধরেন। অনেক সময় একটি দুর্লভ ছবি ধারণ করতে গিয়ে তাদের ঝুঁকির মুখেও পড়তে হয়। তাই তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই/১৫ শ্রাবণ) সকালে মহানগরীতে সিলেট ফটোগ্রাফি সোসাইটি-এসপিএসের তৃতীয় জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেও সিলেট সিটি কর্পোরেশন গুরুত্ব দিচ্ছে। এসপিএসের এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে সংগঠনটির যেকোনো যৌক্তিক পরামর্শ ও সহযোগিতার বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আলোকচিত্র প্রদর্শনী নতুন প্রজন্মকে ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি দর্শনার্থীরা ছবির নান্দনিকতা ও কারিগরি দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করবেন, যা সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, ফটোগ্রাফি শুধু ছবি তোলার বিষয় নয়, একটি ভালো ছবি সমাজের বাস্তবতা, সংকট ও সম্ভাবনাকে মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানের ছবি তুলতে দামি ক্যামেরা অপরিহার্য নয়। প্রয়োজন সঠিক ধারণা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা। বর্তমানে মোবাইল ফোন দিয়েও আন্তর্জাতিক মানের আলোকচিত্র ধারণ করা সম্ভব। তবে এজন্য এক্সপোজার, ফ্রেমিং, কম্পোজিশন, ‘রুল অব থার্ড’, ‘রুল অব সিমেট্রি’সহ মৌলিক বিষয়গুলো জানা জরুরি। এসব বিষয় এখন অনলাইন ও ইউটিউবের মাধ্যমে সহজেই শেখা যায়।
সিলেট ফটোগ্রাফি সোসাইটির সভাপতি এ এন এম জিয়াউলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো আখলাছ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি মো রায়হান চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক পোয়েল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজরিন আফজা, কোষাধ্যক্ষ মো খালেদ আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সালেহ আহমেদ, প্রদর্শনী সম্পাদক কার্তিক পাল এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো মনজুর কাদির, এম এ কে সুমন ও শিব বাহাদুর মিঠু। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি