বালাগঞ্জ প্রতিনিধি : বালাগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত বালাগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই/১৫ শ্রাবণ) বালাগঞ্জ সরকারি দ্বারকানাথ (ডি এন) উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ”বাংলাদেশের উন্নয়নের একমাত্র বাধা দুর্নীতি” শীর্ষক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডি এন উচ্চ বিদ্যালয় দল। রানার্সআপ হয়েছে চান্দারইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় দল। চ্যাম্পিয়ন দলে ছিল দলনেতা প্রত্যাশা রায় লোপা এবং সদস্য দেবযানী দাস ও মোহনা রানী নাথ। রানার্সআপ দলে ছিল দলনেতা নাফিজা জান্নাত মিনহা এবং সদস্য ভারতী রানী দেব ও শেখ শাহানা বেগম। উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক হয়েছে চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা প্রত্যাশা রায় লোপা|
প্রতিযোগিতা শেষে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো আব্দুল মালিক। সভাপতিত্ব করেন বালাগঞ্জ সরকারি দ্বারকানাথ (ডি এন) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেরিনা দেবনাথ, বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো আব্দুল লতিফ তফাদার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রব্বানী, পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম মুজিবুর রহমান, বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মুনিম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন শাহিন, শিক্ষার্থী সুমাইয়া বেগম ও প্রত্যাশা রায় লোপা। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মো মকবুল মিয়া, সমাজসেবক শেখ জামাল আহমদ খলকু, সাইফুল আহমেদ সেফুল, আব্দুল হাদি, বাবরু মিয়া, মজনু মিয়া, মাসুক মিয়া, মো সউল মিয়া, তোফায়েল আহমদ সুহেল, সাবুল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, শিক্ষক মাওলানা ফয়জুল করিম, তুলশি দাশ, জাকির হোসেন, রেজাউল করিম, বেলাল উদ্দিন, বাসনা ও অভিভাবক আজমান আলী। পরিচালনায় ছিলেন ডি এন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নূরুল আমিন। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো বাবুল হাসান ও কালীগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহমুদুল হাসান|
প্রধান অতিথি সাংসদ মো আব্দুল মালিক এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহবান জানান।
তিনি বির্তক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদেরকে জাতীয় সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করানোর আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, বালাগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক স্তরের ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬০টি দল প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে, তা থেকে বিজয়ী ৩০টি দল ইউনিয়ন পর্যায়ে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে বিজয়ী ৭টি দল উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। পুরস্কার হিসেবে সনদপত্র, মেডেল ও বই সহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়।