সিলেট-৪ আসনে বিএনপি-জমিয়ত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন,একটি বিশেষ গোষ্ঠী অন্তিম সময়ে এসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে তারা। এই ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।
তিনি আরো বলেছেন, জনগণ যখন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় প্রহর গুণছে, ঠিক তখনই পরাজিত শক্তিরা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার দিবাস্বপ্ন দেখছে। তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে; কিন্তু সিলেটের সচেতন জনতা অতীতেও যেমন সকল ষড়যন্ত্র নসাৎ করেছে এবারও রাজপথে থেকে তার দাঁতভাঙা জবাব দিবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি/২৪ মাঘ) জৈন্তাপুর উপজেলায় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, আধুনিক, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা। এই বার্তা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে বুঝাতে হবে যে, রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া স্থায়ী মুক্তি সম্ভব নয়।
ভোটের নামে জান্নাতের টিকেট বিক্রিকারীদের থেকে সাবধান থাকতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
আরিফুল হক চৌধুরী নিশ্চিত করেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।
নির্বাচিত হলে এক বছরের মধ্যে জৈন্তাপুর উপজেলায় পরিবর্তনের দৃশ্য দেখতে পাবেন বলেও তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করেন।
ইরাদেবী মিলনায়তনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো আব্দুল হাফিজের পরিচালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্মমহাসচিব হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন লস্কর, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইশতেয়াক আহমদ সিদ্দিকী, মহানগরের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল। এছাড়াও জেলা, মহানগর ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি