সিলেট-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, সিলেট সিটি করপোরেরশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সিলেটের বিশাল জনগোষ্ঠী বিদেশে থাকে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মেধাবী একটি অংশ ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রচ্যের বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে। তাদেরকে নিজের শেকড় বা দেশের প্রতি আকৃষ্ট করা কেবল আবেগীয় বিষয় নয় বরং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্যও একটি বড় সুযোগ।
তিনি আরো বলেছেন, প্রবাসীদেরকে কেবল ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে না দেখে তাদের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি/১১ মাঘ) জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আয়োজিত সমাবেশ ও গণসংযোগকালে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্ম বিদেশে বেড়ে ওঠায় তারা ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা পছন্দ করে। গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জকে যদি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা আইটি পার্কের আওতায় নিয়ে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায় তাহলে তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে, যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রবাসী তরুণ প্রজন্মকে দেশের প্রতি আকৃষ্ট করতে সুন্দর পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।
এর আগে তিনি গোয়াইনঘাট উপজেলার গুলতি চা-বাগান ও জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল চা-বাগানে শ্রমিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ও তাদের দাবি-দাওয়ার কথা শুনেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দীর্ঘদিন থেকে চা-শ্রমিকরা অবহেলিত-বঞ্চিত। তিনি নির্বাচিত হলে চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।
গণসংযোগকালে তার সাথে ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুস শুকুর, তাঁতীদলের কেন্দ্রীয় যুগ্মআহবায়ক ফয়েজ আহমদ দৌলত, জেলা বিএনপির তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব আলতাফ বিলাল, মহানগর কৃষক দলের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোসারফ হোসেন, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইন্তাজ আলী প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি