ইশতেহার ঘোষণা সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের

প্রকাশিত February 4, 2026
ইশতেহার ঘোষণা সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি/২১ মাঘ) বিকেলে মহানগরীর কাজিটুলা উঁচাসড়ক এলাকায় নিজের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে আহুত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সহসম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
ইশতেহারে দক্ষ তরুণ জনশক্তি তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে ‘আকাঙ্ক্ষার সিলেট’ গড়ার অঙ্গীকার ঘোষণা করা হয়েছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ইশতেহারে তরুণ ও নারী উদ্যোক্তা তৈরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, পর্যটন, যোগাযোগ, পরিবেশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও নগর ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
তিনি জানান, নির্বাচিত হলে দেশের ও প্রবাসের বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের উন্নয়ন পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে, যা সিলেটের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার খাতগুলো নির্ধারণ করবে।
এছাড়াও ইশতেহারে শ্রমঘন শিল্প, আইটি ও ইনোভেশন হাব, ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সরকারি কো-ওয়ার্কিং স্পেস, ওয়ান স্টপ ক্যারিয়ার অ্যান্ড জব সেন্টার, এসএমই ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড, সহজ শর্তে ঋণ, ব্যবসা নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, সেচ ও পানি নিষ্কাশন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন, চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কারিগরী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন, নারীদের জন্যে নিরাপদ পাবলিক টয়লেট, ডে-কেয়ার সেন্টার, আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ, গণপরিবহন, জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ, খেলার মাঠ ও ইনডোর স্পোর্টস সুবিধা, নাগরিক সেবার সহজলভ্যতা, সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, রেলপথ আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নয়ন, মনোরেল চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ও অনলাইন জুয়া দমনে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন, বিপথগামী তরুণদের পুনর্বাসন উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।