বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের পরিমাণ ও কার্গো পরিবহনের সক্ষমতা বিবেচনায় সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, পণ্য সংরক্ষণ থেকে রপ্তানি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুষঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর/২৪ আশ্বিন) সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ প্রকল্পের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কোল্ড স্টোরেজের বিভিন্ন চেম্বারের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ এবং কার্গোতে পণ্য পরিবহনের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একটি কার্গোতে পণ্য পাঠানোর পর পরবর্তী চালানের প্রস্তুতি যাতে ব্যাহত না হয়, সে অনুযায়ী সংরক্ষণ ও পরিবহনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় কমাতে প্যাকিং হাউজে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের অবশিষ্টাংশ থেকে জৈব সার উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে অপচয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ ও কৃষি বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটি প্রকল্পের অবকাঠামো, পরিচালন ব্যবস্থা ও রপ্তানি সংক্রান্ত সুবিধা পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক জুলিয়া যেসমিন মিলি সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পিআইডি সিলেট