নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সিটি করপোরেন-সিসিক মহানগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট সংলগ্ন ওয়েভস আবাসিক এলাকার শীতলগলির মুখে নির্মিত আব্দুল গাফ্ফার কমপ্লেক্সের পার্কিং প্লেস তিন বছরে ৮ আর তদন্ত ও ৬ বার নোটিশ করেও উদ্ধার করতে পারেনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট/১৪ শ্রাবণ) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কমপ্লক্সের অংশীদার ওয়েভস-এ/৭৮ নম্বর বাসার বাসিন্দা মৃত আবুল লেইছ চৌধুরীর মেয়ে রোকসানা লেইছ এ অভিযোগ করেন।
রোকসানা লেইছ জানান, আব্দুল গাফ্ফার কমপ্লক্সের অংশীদার তার চাচাতো ভাই আব্দুল হাসিব তুহেল, আব্দুল আলিম রাসেল ও তাদের চাচি মনোয়ারা বেগম নিয়ম বহির্ভূতভাবে কমপ্লেক্সের বর্ধিত অংশ নির্মাণ ও পার্কিং প্লেস ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেন। তাদের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে একতরফাভাবে নির্মিত বর্ধিত অংশ অপসারণ ও দোকান উচ্ছেদ করে পার্কিং প্লেস উদ্ধারের জন্যে সিসিক বরাবর একাধিক আবেদন করেন; কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ফল পাননি।
সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযানে গেলেও কোনো কাজ করা হয়নি বলে রোকসানা লেইছ অভিযোগ করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, সিসিক উচ্ছেদে গিয়ে মনে হয়েছে তারা কনে দেখতে গিয়েছিল। নকশা পরিবর্তন ও বিল্ডিং কোড অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়াটা রহস্যজনক। অর্থের বিনিময়ে হোক কিংবা কারো ইশারায় হোক নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে সিসিক। কার স্বার্থে সিসিক কাজ করছে না-তিনি এমন প্রশ্নও তুলেন।
রোকসানা লেইছ জানান, গত তিন বছরে এ ব্যাপারে তার স্বামী কম করে হলেও একশবার সিটি করপোরেশনে গেছেন। গত ১২ আগস্ট সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে যাওয়ার পর উচ্ছেদ না করে ফিরে আসে অভিযানিক দল। পরবর্তী সময়ে উচ্ছেদ না করার কারণ হিসেবে কমপ্লেক্সের অংশিদারিত্ব নিয়ে পারিবারিক বিরোধ ও জটিলতা উল্লেখ করে দেওয়ানী মামলার পরামর্শ দিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে মতামত দেওয়া হয়।
কমপ্লেক্সের বর্ধিত অংশ অপসারণ ও পার্কিং প্লেস উদ্ধারের বিষয়টি পারিবারিক ও সম্পদ নিয়ে বিরোধ হয় কিভাবে-এমন প্রশ্ন তুলে রোকসানা লেইছ বলেন, বিষয়টি স্পষ্টভাবে সিসিকের এখতিয়ারভুক্ত থাকার পরও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় সিসিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারছে না।
তিনি বিষয়টি আবার গুরত্ব দিয়ে দেখার জন্য সিসিক প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।