নিজস্ব প্রতিবেদক : র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামিকেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে।
র্যাব-৯ জানায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঘাটিবস্তি বটেরতল এলাকার আবিদ আলী গরু কেনা-বেচার ব্যবসা করতেন। গত ৭ মে ব্যবসার কাজে সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা অপেক্ষা করে করে শেষপর্যন্ত তার মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পান।
অনেক খোঁজাখুজির একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা এক ব্যক্তির কাছে জানতে পারেন, পরেস নায়েক ও ভুট্টু সাঁওতাল নামের দুই জন তাকে গরু দেখানোর কথা বলে চা বাগানের ভিতর নিয়ে যেতে তিনি দেখেছিলেন।
শেষপর্যন্ত আবিদ আলী ফিরে না আসায় তার স্ত্রী শ্রীমঙ্গল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ৯ মে দুপুর দেড়টার দিকে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের মাধ্যমে পরিবার সংবাদ পায়, উপজেলার রাজঘাট এলাকার ফুসকুড়ি চা বাগান এলাকার পানির ডোবায় একটি মরদেহ ভেসে আছে।
খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় আবিদ আলীর স্ত্রী বাদি হয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা হত্যা মামলা দায়ের করলে এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারের একটি আভিযানিক দল সোমবার (১১ মে/২৮ বৈশাখ) আনুমানিক সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার লাখাই ছড়া চা বাগানের ভেতর অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি ভুট্টু সাঁওতালকে (৪৫ পিতা মৃত ধরনী সাঁওতাল, ফুসকুড়ি চা বাগান, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার) ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এর আগে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামিকে রবিবার (১০ মে) র্যাব-৯ গ্রেফতার করে।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।