হাম-রুবেলা জরুরি টিকাদান কর্মসূচির অধীনে সিলেট বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার ৯৬.৩৮ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
হাম-রুবেলা জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে বিভাগীয় বৃহস্পতিবার (৭ মে/২৪ বৈশাখ) অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের উদ্যোগে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাম-রুবেলা একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় জনমনে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এখন সর্বত্র টিকা পাওয়া যাচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
তিনি আরো বলেন, সিলেট বিভাগে হাম-রুবেলা জরুরি টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৯৬৬ জন। এর মধ্যে ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৩৫ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই এ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় জানানো হয়, সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগ গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সকল উপজেলা ও জেলা সদর হাসপাতালে আনুপাতিক হারে আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিলেট শহীদ শামসুদ্দীন আহমদ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ৫ শয্যার পিআইসিইউ চালু করা হয়েছে। এছাড়া ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০ শয্যার পিআইসিইউ চালু রয়েছে। হাম-রুবেলা জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সমন্বয় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা মো জাহিদুল ইসলাম, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা মো নাসির উদ্দিন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রাণী দাস ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা সুফী মো খালিদ বিন লুৎফর। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পিআইডি