নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর/১৬ পৌষ) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে বেগম খালেদা জিয়াকে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন জিয়া উদ্যানে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার ছেলে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। দাফনের পর সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এর আগে বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউসহ বিস্তৃত এলাকায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা দেশ থেকে রাজধানীতে ছুটে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীসহ লাখ লাখ সাধারণ মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।
দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম এই জানাজায় অংশ নিতে আসা মানুষের ভিড় সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণী, তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ছাড়িয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে এক মহাসমুদ্রে রূপ নেয়।
এর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড এস জয়শঙ্কর, নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ এবং ভুটানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেল।
এছাড়া পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজায় অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা শফিকুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলের শীর্ষ নেতারা অংশ গ্রহণ করেন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজার নামাজ পড়ান। সূত্র বাসস