বালাগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার বালাগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর মজলিশপুর গ্রামে সামাজিক সংগঠকদের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে। এ সময় পুলিশের ভয়ে কনের বাবা পালিয়ে যান।
বোয়ালজুড় বাজার সংলগ্ন উত্তর মজলিশপুর গ্রামে সৈয়দ নুহ আলী ও নাজমা বেগমের মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক সৈয়দা হালিমা বেগমের বিয়ে ঠিক করা হয় একই ইউনিয়নের ভেরাখাল গ্রামের মৃত বারিক মিয়ার ছেলে সাইদুল হকের সাথে। তারিখ নির্ধারণ করা হয় শুক্রবার (১৪ নভেম্বর/২৯ কার্তিক)। প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়ে যায় একই গ্রামে কনের নানার বাড়িতে; কিন্তু প্রশাসনের কাছে খবরটি পৌঁছে যায়।
খবর পেয়ে বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তৎপর হয়ে উঠেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দের নির্দেশনায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বদরুন নাহারের পক্ষ থেকে ফিল্ড সুপারভাইজার লেহাজ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ও জেন্ডার প্রেমোটার শাহাব উদ্দিন শাহিন পুলিশসহ বিয়ে বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হন। পৌঁছেন ইউপি মেম্বার ধন মিয়াও। তারা কনে পক্ষকে প্রচলিত আইনের ব্যাখ্যা দিলে তারা বিয়ে বন্ধ করে দেন। কনের মা অঙ্গীকারনামা দেন, ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দিবেননা। তবে কনের পিতা পালিয়ে যান।