গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে

প্রকাশিত February 5, 2017
গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণজাগরণ মঞ্চ, সিলেটের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীহ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়েছে। তাই বলে গণজাগরণ মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায়নি। বরং অসাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়াই চালিতে যেতে হবে।
রবিবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের জাগরণ যাত্রা পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা এ কথা বলেন।
বিকেল ৪টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদমিনার থেকে জাগরণ যাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবার কেন্দ্রীয় শহীদমিনার চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এর শুরুতে প্রবীণ জননেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুতে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য লড়াই করে গেছেন গণজাগরণ মঞ্চও সেই লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
বক্তারা সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী অনন্ত বিজয় দাশ ও জগৎজ্যোতি তালুকদার সহ গত চার বছরে উগ্রবাদীদের হাতে নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দ্রুত এসব হত্যা মামলার বিচার দাবি করেন।
গণজাগরণ মঞ্চ, সিলেটের মুখপাত্র দেবাশীষ দেবুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার আরশ আলী, বাসদ সিলেটের সমন্বয়ক আবু জাফর, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু প্রমুখ।