বাংলাদেশ বিমানের ম্যানচেস্টার-সিলেট ফ্লাইট চালু রাখা ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দ্রুত অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর দাবিতে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটি সভা করেছে।
গত ১৯ জানুয়ারি বিকেলে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেল রোডে আল হামরা রেস্টুরেন্টে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল বাছিত রফির পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের পেট্রন, কমিউনিটি নেতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড হাসনাত এম হোসেইন এমবিই। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী সিংকাপনী, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনার, কমিউনিটি লিডার, সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর ,কো-কনভেনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবী মাসুদ আহমদ, জিএসসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মাহবুব ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আজম আলী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুফতি সৈয়দ মাহমুদ আলী ,কমিউনিটি নেতা আব্দুল মুকিত, সাংস্কৃতিক সংগঠক সৈয়দ কাহের, ক্রীড়া সংগঠক সৈয়দ সায়েম করিম, ইউনিটি অব মৌলভীবাজারের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালিক, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ডাইরেক্টর শাহ শেরওয়ান কামালী, মাহবুব আলী খান স্মৃতি সংসদের সভাপতি আহমদ সাদিক, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি কেন্ট রিজিওনাল চেয়ারপার্সন মোখতার আলী, গিয়াস উদ্দিন আহমদ, মাস্টার আশরাফ চৌধুরী, টিভি উপস্থাপক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নূরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক হেলেন ইসলাম, কবি আসমা মতিন, আজম আলী, বদরুল হক মনসুর, মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ।
ড হাসনাত এম হোসেইন এমবিই বলেন, বাংলাদেশ বিমানের ম্যানচেস্টার টু সিলেট রুটে হঠাৎ করে ফ্লাইট বন্ধ করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অন্যায়। সিলেট বিদ্বেষী সিন্ডিকেট অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য এই জঘন্য কাজটি করে তিন লাখ প্রবাসীর প্রতি অবিচার করেছে।
কে এম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, ২৪ বছর ধরে ওসমানী বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক হওয়ার পরও বিদেশী কোনো ফ্লাইট একই সিণ্ডিকেট ওঠা-নামা করতে দিচ্ছেনা। ফলে বাংলাদেশ বিমান লন্ডন-সিলেট রুটে ১ হাজার ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া আদায় করছে। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক পরিবার দেশে যেতে পারছেনা বলে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা দেশ বিমুখ হচ্ছে ।
মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, আর সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবেনা। এবার আঙ্গুল বাঁকা করতে হবে।কঠোর কর্মসূচি দিতে হবে। অনির্দিষ্টকালের জন্য রেমিট্যান্স বন্ধ ও বিমান বয়কট করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে হারুনুর রশীদ বৃহত্তর সিলেটবাসীর ন্যায্য দাবি মানা না হলে প্রবাসের ও দেশের সবাইকে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে গড়ে তোলা হবে বলে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।