জকিগঞ্জে সরকারি জলমহাল দখল-জবরদখল করতে দুই পক্ষ মুখোমুখি

প্রকাশিত November 14, 2022
জকিগঞ্জে সরকারি জলমহাল দখল-জবরদখল করতে দুই পক্ষ মুখোমুখি

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি : জকিগঞ্জের সরকারি মইলাট জলমহাল দখলে রাখা ও জবরদখল করা নিয়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
একটি মহল মামলা-হামলাসহ বিভিন্ন অজুহাতে ৩০ বছর মইলাট জবরদখল করে লুটপাট করে; কিন্তু সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়ে এই সরকারি জলমহালটি ১৪২৭ বঙ্গাবব্দ হতে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ৩ বছরের জন্য জকিগঞ্জের সিরাজপুর সূর্যমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের অনুকূলে ইজারা দেন। সেই সঙ্গে পুলিশের সহায়তায় প্রশাসনিকভাবে গত দুই বছর অনেক মামলা-মোকদ্দমা ও দখল-পাল্টা দখল মোকাবেলা করে ইজারাদারকে মাছ চাষ ও আহরণের সুযোগ করে দিয়ে জলমহালটিতে সরকারের কর্তৃত্ব বহায় রাখেন।
কিন্তু ইজারার শেষ বছরে জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি বদলি হয়ে গেলে সেই জবরদখলকারী মহলটি আবার তৎপর হয়ে উঠে। ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে জকিগঞ্জ আদালত ও থানায় কাল্পনিক মামলা দিয়ে ইজারাদারকে হয়রানি করে মইলাট জলমহালটি জবরদখল করে নিয়েছে এবং ইাজারারদের পাহারাদারদের অস্ত্রের মুখে তাড়িয়ে দিয়ে জলমহালের তীরে বাসা তৈরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ইজারাদার সিরাজপুর সূর্যমুখী মৎসজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সম্পাদক রনজিত রাম দাস এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে নিয়ে বুধবার সকাল ১১টায় তার কার্যালয়ে গণশুনানির নোটিশ দিয়েছেন।