জগন্নাথপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত October 20, 2022
জগন্নাথপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : কোনো দোষ না করা সত্ত্বেও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে আবুল মিয়ার খামারবাড়িতে বসবাসকারী কাজী শিপন মিয়ার বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাজী শিপন মিয়া এ অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দেওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ করলেও তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়নি। ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাজী শিপন মিয়া জানান, তিনি বাসস্থানসহ সব হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তার মূল বাড়ি হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া ইউনিয়নের ছোট উজিরপুর গ্রামে। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি আবুল মিয়ার মালিকানাধীন মৎস্য খামারে ঘর তৈরি করে বসবাস করছিলেন।
তিনি আরও জানান, খামার মালিক আবুল মিয়াদের সঙ্গে করিমপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে লেবু মিয়া ও তার স্বজনদের বিরোধ চলছে। এর জের ধরেই গত ১৫ অক্টোবর শনিবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ঘরটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
আগুনের আলোয় তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে লেবু মিয়া, মৃত নবী হোসেনের ছেলে মো মজনু মিয়া ও মৃত সৈয়দ সামছুল ইসলামের ছেলে মামুন মিয়াসহ আরও ৫/৬ অপরিচিতি ব্যক্তিকে দেখতে পান। প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে তার টিনসেডের বসতঘর, জামা-কাপড়সহ অন্যান্য জিনিসপত্র, হাঁস ও মোরগ ভস্মীভূত হয়ে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়ে যায় বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় কাজী শিপন মিয়া ১৫ অক্টোবরই জগন্নাথপুর থানায় লেবু মিয়া, মজনু মিয়া ও মামুন মিয়ার নাম উল্লেখসহ আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাত আসামি দিয়ে থানায় মামলা করতে যান; কিন্তু তার অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বসতঘর পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।