শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে উদ্ধারকৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

প্রকাশিত September 6, 2022
শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে উদ্ধারকৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে উদ্ধারকৃত ভারতীয় নাগরিক দ্বিজরাজ ঘোষের মরদেহ তার দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা স্থলবন্দর দিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্ধার্থ ভৌমিক, থানার ওসি আলী আশরাফ, বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের বাল্লা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার তোফাজ্জল হোসেন ও কাস্টমস কর্মকর্তা কাজী হারুন। অন্যদিকে ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, এসডিপিও রাজিব সূত্রধর, খোয়াই থানার ওসি উদ্যম দেব বর্মা, উপ পরিদর্শক জুগল ত্রিপুরা, প্রুতিদ দত্ত, বিএসএফ ৮০ ব্যাটালিয়নের সহকারী কমান্ডেন্ট বীরেন্দ্র কাকা ও উপপরিদর্শক রাজ কুমার।
বাংলাদেশ থেকে নৌকায় মরদেহ নিয়ে গিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই জেলার পুরানবাজার বন্দরে তা হস্তান্তর করা হয়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহটি গ্রহণ করে দ্বিজরাজ ঘোষের ভাই যুবরাজ ঘোষের নিকট হস্তান্তর করে।
চুনারুঘাট থানার ওসি আলী আশরাফ জানান, ভারত দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহটি ফেরত চাইলে ময়নাতদন্তসহ যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে হস্তান্তর করা হয়।
ভারতের খোয়াই থানার ওসি উদ্যম দেব বর্মা জানান, দ্বিজরাজ ঘোষের পরিবার থেকে জিডি পাওয়ার পর মিডিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া পেলে সরকারিভাবে যোগাযোগ করে মরদেহ ফেরৎ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
দ্বিজরাজ ঘোষের ভাই যুবরাজ ঘোষ দাবি করেছেন, তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে নদীতে কলাগাছের সঙ্গে সংযুক্ত করে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে লোকমুখে খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকায় রেল সেতুর নিচ থেকে থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় মরদেহের পোশাকের পকেট থেকে ভারতীয় নাগরিক সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়।
ত্রিপুরার খোয়াই জেলার সাংবাদিক আশীষ চক্রবর্তী জানান, দ্বিজরাজ ঘোষ একজন টমটম চালক। ১ সেপ্টেম্বর তিনি নিখোঁজ হন। নদীর পারে তার টমটমটি পাওয়া যায়।