এ এইচ এম. বজলুর রহমান : বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা আর শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন মানবাধিকার, উন্নয়ন, জাতীয় নিরাপত্তা, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা এবং তথ্যের অখণ্ডতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। এ বছরের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য, শান্তিময় ভবিষ্যৎ গঠন : মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসার বাংলাদেশের বাস্তবতায় বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দেশটি একদিকে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে ডিজিটাল তথ্যপ্রবাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভুয়া তথ্য, অনলাইন হয়রানি, গণমাধ্যমের আর্থিক সংকট এবং সাংবাদিক নিরাপত্তার মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
আজ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ডিজিটাল অধিকার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি এবং মানবাধিকারকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। এগুলো একই তথ্য-বাস্তবতার অংশ। যে সমাজে তথ্য অবাধ, নির্ভরযোগ্য ও বহুমাত্রিক নয়, সেখানে নাগরিক সিদ্ধান্ত দুর্বল হয়, জনআস্থা ক্ষয় হয় এবং উন্নয়নও দীর্ঘমেয়াদে অনিরাপদ হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের জন্য এই আলোচনার প্রথম স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম স্বাধীনতা, শান্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন। অনেক সময় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে সাংবাদিকতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে স্বাধীন সাংবাদিকতাই প্রকৃত নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করে। কারণ স্বাধীন গণমাধ্যম দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অব্যবস্থাপনা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, বাজারে অনিয়ম এবং স্থানীয় মানুষের বঞ্চনা সামনে আনে। এগুলো রাষ্ট্রকে দুর্বল করে না; বরং রাষ্ট্রকে নিজের ভুল দেখার সুযোগ দেয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন-আলোচনায় অবকাঠামো, রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রা, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির কথা বেশি আসে। কিন্তু উন্নয়নের আরেকটি মৌলিক শর্ত হলো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য। একটি দেশ যখন বিনিয়োগ, বাণিজ্য, জলবায়ু অর্থায়ন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের পথে এগোয়, তখন তার গণমাধ্যম পরিবেশও অর্থনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার অংশ হয়ে ওঠে। বিনিয়োগকারী শুধু সড়ক, বন্দর ও বিদ্যুৎ দেখেন না; তারা দেখেন আইন কতটা পূর্বানুমানযোগ্য, প্রতিষ্ঠান কতটা জবাবদিহিমূলক, তথ্য কতটা স্বাধীন এবং সমাজে সমালোচনার জায়গা আছে কি না।
ইউনেসকোর ২০২২-২০২৫ সালের World Trends Report–এ স্বাধীন, বহুমাত্রিক ও পেশাদার সাংবাদিকতাকে গণতান্ত্রিক জীবনের ভিত্তি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বৈশ্বিক অবনতি, সাংবাদিকদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বা self-censorship বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ঝুঁকির কথাও উঠে এসেছে। বাংলাদেশের জন্য এই সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সংবাদমাধ্যম দুর্বল হলে শুধু সাংবাদিক ক্ষতিগ্রস্ত হন না; নাগরিক, বাজার, নির্বাচন, স্থানীয় প্রশাসন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্য-অখণ্ডতা। বাংলাদেশের নাগরিকেরা এখন সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও রেডিওর পাশাপাশি ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, মেসেজিং অ্যাপ এবং নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে তথ্য নেন। এই পরিবর্তন গণতান্ত্রিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে, কিন্তু ঝুঁকিও বাড়িয়েছে। অ্যালগরিদম এখন অনেক ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় বিচারবোধের জায়গা দখল করছে। কী তথ্য নাগরিকের সামনে যাবে, কোন বিষয় ভাইরাল হবে, কোন সংবাদ চাপা পড়ে যাবে, তা অনেক সময় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের অস্বচ্ছ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই বাস্তবতাকে আরও জটিল করছে। কৃত্রিম ছবি, ভুয়া ভিডিও, deepfake, স্বয়ংক্রিয় প্রচারযন্ত্র, bot-চালিত প্রচারণা এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট এখন নির্বাচন, সামাজিক সম্পর্ক, সংখ্যালঘু অধিকার এবং জননিরাপত্তার জন্য বাস্তব ঝুঁকি। ভুল তথ্য শুধু সাধারণ ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে না; কখনো কখনো Newsroom–কেও ভুল তথ্যের অনিচ্ছাকৃত বাহকে পরিণত করে। ফলে তথ্য যাচাই, উৎসের নির্ভরযোগ্যতা, digital forensic skill এবং newsroom verification protocol এখন আর অতিরিক্ত দক্ষতা নয়; এগুলো সাংবাদিকতার মৌলিক শর্ত।
এই পরিস্থিতিতে সমাধান শুধু আইন নয়। আইন দরকার, কিন্তু আইন যদি অস্পষ্ট, দমনমূলক বা ক্ষমতার সুবিধামতো ব্যবহারের সুযোগ রাখে, তাহলে সেটি তথ্য-অখণ্ডতা রক্ষা না করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। দরকার মানবাধিকারভিত্তিক ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি, অ্যালগরিদমিক স্বচ্ছতা, ডেটা সুরক্ষা, স্বাধীন fact-checking এবং সর্বোপরি media and information literacy। নাগরিককে শুধু তথ্য গ্রহণকারী হিসেবে নয়, তথ্য যাচাইকারী হিসেবেও সক্ষম করতে হবে।
তৃতীয় স্তম্ভ হলো গণমাধ্যমের আর্থিক টেকসইতা, বহুমাত্রিকতা ও অন্তর্ভুক্তি। বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বড় সমস্যা শুধু স্বাধীনতার নয়; টিকে থাকারও। বিজ্ঞাপন বাজারের সংকট, platform dominance, মালিকানার ঘনত্ব, রাজনৈতিক ও করপোরেট প্রভাব, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দুর্বলতা এবং সাংবাদিকদের অনিশ্চিত কর্মপরিবেশ গণমাধ্যমকে চাপের মধ্যে রেখেছে। একটি newsroom যদি আর্থিকভাবে অসহায় থাকে, সাংবাদিক যদি ন্যায্য বেতন না পান, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম যদি বিজ্ঞাপন থেকে বঞ্চিত হয়, তাহলে স্বাধীনতা কাগজে থাকলেও বাস্তবে দুর্বল হয়ে যায়।
২০২৫ সালে UNDP ও UNESCO বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি নিয়ে যে মূল্যায়ন প্রকাশ করে, সেখানে আইনগত, প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক ও পেশাগত চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে restrictive laws, political pressure, fair licensing, transparent state advertising, journalist protection, fair pay, credible self-regulation, gender equality in newsrooms, community and indigenous media support এবং media literacy–কে সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই সুপারিশগুলো বাংলাদেশের জন্য শুধু গণমাধ্যম নীতির বিষয় নয়; এগুলো গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন নিরাপত্তার অংশ।
বাংলাদেশ ২০২৫ সালের World Press Freedom Index–এ ১৬ ধাপ এগিয়ে ১৮০ দেশের মধ্যে ১৪৯তম অবস্থানে এসেছে। এই উন্নতি ইতিবাচক, কিন্তু ১৪৯তম অবস্থান কোনো স্বস্তির জায়গা নয়। এটি বরং মনে করিয়ে দেয়, পথ এখনো দীর্ঘ। র্যাঙ্কিং উন্নত হওয়া ভালো, কিন্তু প্রকৃত অগ্রগতি মাপতে হবে অন্যভাবে: সাংবাদিক কি ভয় ছাড়া প্রশ্ন করতে পারছেন? স্থানীয় সাংবাদিক কি রাজনৈতিক চাপের বাইরে রিপোর্ট করতে পারছেন? নারী সাংবাদিক কি নিরাপদে নির্বাচনী মাঠে যেতে পারছেন? সংখ্যালঘু, আদিবাসী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপকূলীয় মানুষ, শ্রমিক এবং তরুণদের কণ্ঠ কি সংবাদে যথাযথ স্থান পাচ্ছে?
সাংবাদিক নিরাপত্তা এখন বাংলাদেশের জন্য জরুরি অগ্রাধিকার। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন পেশাগত ভয় নয়; এটি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের ঝুঁকির সংকেত। নির্বাচনী সময়ে শারীরিক হামলা, অনলাইন হয়রানি, disinformation attack, hacking attempt এবং নারী সাংবাদিকদের ওপর gender-based threat গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। সাংবাদিক যদি মাঠে যেতে ভয় পান, তাহলে নাগরিকও নির্ভরযোগ্য তথ্য থেকে বঞ্চিত হন।
আইনগত পরিবেশ নিয়েও সতর্ক থাকা দরকার। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও নাগরিকের স্বাধীনতাকে মুখোমুখি দাঁড় করানো যাবে না। যে আইন অপরাধ দমনের জন্য তৈরি, সেটি যেন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, সমালোচনা বা জনস্বার্থের তথ্য প্রকাশকে ভয় দেখানোর উপকরণে পরিণত না হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে আইনের ঊর্ধ্বে থাকা নয়; বরং আইন যেন ন্যায়সংগত, স্পষ্ট, প্রয়োজনীয় ও মানবাধিকারসম্মত হয়, সেটি নিশ্চিত করা।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬ বাংলাদেশের সামনে কয়েকটি বাস্তব কাজের তালিকা তুলে ধরে। প্রথমত, সাংবাদিক নিরাপত্তার জন্য জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা দরকার, যেখানে পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, সংবাদমাধ্যম মালিক, সাংবাদিক সংগঠন, নারী সাংবাদিক নেটওয়ার্ক ও নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করবে। দ্বিতীয়ত, অনলাইন ও অফলাইন হামলার ক্ষেত্রে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। দোষীদের বিচার না হলে Impunity আরও বড় সংকট তৈরি করে।
তৃতীয়ত, AI ও migital platform governance নিয়ে মানবাধিকারভিত্তিক নীতি দরকার। শুধু content removal যথেষ্ট নয়। জানতে হবে, কোন অ্যালগরিদম ঘৃণা বাড়ায়, কোন প্ল্যাটফর্ম misinformation থেকে লাভ করে, কোন political advertising অস্বচ্ছ, কোন data ব্যবহার নাগরিকের গোপনীয়তা ভঙ্গ করে। চতুর্থত, media and information literacy–কে শিক্ষা, যুব কর্মসূচি, কমিউনিটি রেডিও, স্থানীয় সরকার এবং নাগরিক প্রশিক্ষণের অংশ করতে হবে। ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ হলো সচেতন নাগরিক।
পঞ্চমত, গণমাধ্যমের আর্থিক টেকসইতা নিয়ে জাতীয় আলোচনা প্রয়োজন। স্বাধীন গণমাধ্যম বাজারের দয়ায় বাঁচতে পারে না, আবার রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞাপনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলেও স্বাধীনতা দুর্বল হয়। দরকার স্বচ্ছ বিজ্ঞাপন নীতি, local media support, public interest journalism fund, community media support, investigative journalism grants এবং সাংবাদিকদের ন্যায্য শ্রম অধিকার। ষষ্ঠত, নারী, তরুণ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় ভাষাভাষী মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। গণমাধ্যম যদি শুধু কেন্দ্রের কণ্ঠ বহন করে, তাহলে তা জাতীয় বাস্তবতার অর্ধেকই দেখায়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, মুক্ত গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ ভাবা বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন সাংবাদিকতা রাষ্ট্রদ্রোহ নয়; দুর্নীতি, অদক্ষতা, মিথ্যা তথ্য, অবিচার ও অপশাসনকে আড়াল করাই রাষ্ট্রের জন্য বেশি ক্ষতিকর। সংবাদমাধ্যমের কাজ সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলা নয়, সত্যকে দৃশ্যমান করা। তবে সংবাদমাধ্যমেরও আত্মসমালোচনা দরকার। পেশাগত মান, fact-checking, নৈতিকতা, ভুল সংশোধন, মালিকানা স্বচ্ছতা এবং জনস্বার্থের দায়বদ্ধতা ছাড়া press freedom–এর দাবি পূর্ণতা পায় না।
২০২৬ সালের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি একটি নীতি-আহ্বান। শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ, মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা চাইলে স্বাধীন, বহুমাত্রিক, নিরাপদ ও টেকসই গণমাধ্যম দরকার। কাগজে স্বাধীনতা নয়, বাস্তবে স্বাধীনতা। শহরকেন্দ্রিক সংবাদ নয়, স্থানীয় মানুষের কণ্ঠ। প্রযুক্তির ঝলক নয়, তথ্যের সততা। আইন নয় শুধু, ন্যায়বিচার। আর উন্নয়ন নয় শুধু, জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন।
বাংলাদেশ যদি এই উপলক্ষকে সংস্কারের সুযোগ হিসেবে নিতে পারে, তাহলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬ একটি স্মারক দিবসের বাইরে গিয়ে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, সামাজিক আস্থা এবং টেকসই উন্নয়নের নতুন সূচনা হতে পারে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা মানে সাংবাদিকদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়। এটি নাগরিকের জানার অধিকার, রাষ্ট্রের জবাবদিহি এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ রক্ষার মৌলিক শর্ত।
এ এইচ এম. বজলুর রহমান || ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, তথ্যের অখণ্ডতা ও ডিজিটাল গণতন্ত্রবিষয়ক নীতি-পরামর্শক, বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর