বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সিলেট মহানগর সকল ধর্ম-বর্ণ জাতিগোষ্ঠী মিলেমিশে থাকার একটি পবিত্র স্থান। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত সিলেট। এখানে রয়েছে সকলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এই মহানগরীতে কোনো ধরনের খারাপ কাজের স্থান কখনো ছিল না- আগামীতেও থাকবে না।’
তিনি আরো বলেছেন, ’সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল অপশক্তিকে রুখে দিবো। যে সকল মানুষ ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে জীবনযাপন করেন তারা কখনো অসৎ পথে যাননা। সুতরাং প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় বিধিবিধান ও রীতিনীতি মেনে চলা দরকার।’
শনিবার (৫ এপ্রিল/২২ চৈত্র) দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের জৈনপুর, দক্ষিণ সুরমায় অবস্থিত শ্রীশ্রী মহালক্ষী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে শ্রীশ্রী মহালক্ষী ভৈরবী দেবীর বার্ষিক পূজা অনুষ্ঠানে ‘সিলেটের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সতীতীর্থ মহালক্ষী গ্রীবাপীঠ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখেন, রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রম সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দজী মহারাজ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন, সরকারি বৃন্দাবন কলেজ হবিগঞ্জের প্রাক্তন অধ্যক্ষ নৃপেন্দ্র লাল দাস, শ্রীচৈতন্য গবেষণা কেন্দ্র সিলেটের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মনোজ বিকাশ দেব রায়, শ্রীহট্ট সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ড দিলীপ কুমার দাস চৌধুরী অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্নালাল রায়, মিন্টু দাস, রঞ্জিত কর, দীপংকর পাল ও সুব্রত দেব লাভলু। সভাপতিত্ব করেন, শ্রীশ্রী মহালক্ষী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সহসভাপতি অধ্যাপক প্রতাপ চৌধুরী। সমস্ত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্ত্তী মিন্টু। তাকে সহায়তা করেন, নিপেশ কান্ত দেব পীযুষ।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থেকে ৩ দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়েছে।
রবিবার (৬ এপিল) উৎসবের সমাপনী দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।–সংবাদ বিজ্ঞপ্তি