নিজস্ব প্রতিবেদক : আর কয়েক ঘণ্টা পরেই সোমবার (৩১ মার্চ) ইসলাম ধর্মের অনুসারী মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাসে কঠোর সিয়াম সাধনার পর আনন্দের এ দিনটি ফিরে আসে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে প্রতিটি মুসলিম কণ্ঠ গেয়ে উঠে ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। সেই দিনটি এবার নতুন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুসলমানদের কাছে এসেছে।
ঈদ শুধু আনন্দ বিলায় না, সাম্য-মৈত্রির বাণীও শোনায়। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ চিরন্তন এ সত্যকে নতুন করে জাগ্রত করে। এ দিনে ধনী-গরীব, মালিক-শ্রমিক ও নেতা-কর্মীর কোনো তফাৎ থাকেনা। সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে, কোলাকুলি করে এবং আনন্দ উপভোগ করে।
সারা দেশে ঈদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। জামাতের জন্যে প্রস্তুত ঈদগা ও মসজিদ। নিরাপত্তাও জোরদার। তবে ঈদের বাজার এখনো ক্রেতা-বিক্রেতার দর কষাকষিতে মুখর। চলবে শেষরাত পর্যন্ত। অন্যদিকে ঘরে ঘরে পিঠা-পুলি তৈরিতে গৃহিনীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
সিলেট বিভাগের বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সিলেট মহানগরীর ঐতিহাসিক শাহী ঈদগা ময়দানে। রবিবার (৩০ মার্চ/১৬ চৈত্র) দুপুরে সিলেট মহানগর পুলিশ-এসএমপি কমিশনার মো রেজাউল করিম ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শাহী ঈদগা ময়দান পরিদর্শন করেন।
একই সময়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার মো রেজা-উন-নবী এবং অন্যান্য কর্মকর্তাও শাহী ঈদগা ময়দানে জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।