হাবিবুর রহমান হাবিব, শাল্লা : সুনামগঞ্জের প্রত্যন্ত হাওর অঞ্চল শাল্লা উপজেলায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কারণ সরিষা, তিল, তিশি, পাম ও সোয়াবিনের পাশাপাশি এই ফুলের বীজও তৈলবীজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই কৃষকদেরকে সূর্যমুখী উৎপাদনে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করতে কৃষি বিভাগ এগিয়ে এসেছে।
এর অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমারজেন্সি এ্যাসিসটেন্স প্রজেক্টের আওতায় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রদর্শনী প্লট আকারে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে।
প্রদর্শনী প্লট হিসেবে কুশিয়ারা নদীর ডান তীরে উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের কৃষক জয় গোপাল দাস ১ বিঘা ও ঋতুরাজ দাস ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন।
প্রতাপপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সন্দীপন দাস জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়, সুযোগ-সুবিধার নানা দিক জানানো হয় এবং আয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
কৃষক জয়গোপাল দাস ও ঋতুরাজ দাস জানান, তারা লাভবান হওয়ার আশা করছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত জামিল জানান, সূর্যমুখী ফুলের বীজ মূলত ভোজ্য তৈলবীজ; কিন্তু উপজেলার কৃষকরা এই ফুলের চাষ সম্পর্কে ধারণার অভাবে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময় মতো সূর্যমুখী ফুলের বীজ আহরণ করে সঠিকভাবে বাজারজাত করতে পারলে আগামীতে অনেকেই এ ফুলের চাষে এগিয়ে আসবেন। পতিত ও অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনতেই কৃষকদের দিয়ে আয় বর্ধক সূর্যমুখী ফুলের প্রদর্শনী প্লট করা হচ্ছে।