ভ্যাট ও অন্যান্য রাজস্বের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়

প্রকাশিত February 28, 2022
ভ্যাট ও অন্যান্য রাজস্বের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়

কাস্টম্স, এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের কমিশনার মোহাম্মদ আহসানুল হকের সঙ্গে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকালে মহানগরীর জেল রোডে চেম্বার ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সিলেট চেম্বার সভাপতি তাহমিন আহমদ।
মতবিনিময় সভায় কাস্টম্স কমিশনার মোহাম্মদ আহসানুল হক বলেন, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সরকারের রাজস্ব আয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। ব্যবসায়ীদের প্রদানকৃত ভ্যাট ও অন্যান্য রাজস্বের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও বলেন, ভ্যাট পরোক্ষ কর। এটি ব্যবসায়ীরা ক্রেতাসাধারণের নিকট হতে সংগ্রহ করে সরকারের কোষাগারে জমা দেন।
কাস্টম্স কমিশনার জানান, বিভিন্ন সুপারশপের সিলেট আউটলেটসমূহ স্থানীয় কমিশনারেটের অধীনে নিবন্ধনের জন্য উচ্চ পর্যায়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
তিনি ব্যবসায়ীদের ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যাপারে ভ্যাট পরামর্শকের ব্যবস্থা ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।
তিনি ব্যবসায়ীদেরকে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন সনদ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে রাখার ও ভ্যাট রেয়াত পাওয়ার জন্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রদানকৃত এটি রিটার্ন জমার সময় নির্ধারিত ফরমে উল্লেখ করার অনুরোধ জানান।
এছাড়াও তিনি জটিলতা এড়াতে আমদানিকারকগণকে এলসিতে উল্লেখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি মালামাল আমদানি না করার আহবান জানান।
সিলেট চেম্বার সভাপতি তাহমিন আহমদ বলেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের উন্নয়নের সহযোগী। তারা ভ্যাট-ট্যাক্স প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখেন। তাই ব্যবসায়ীদের সকল ধরনের সুবিধা-অসুবিধা দেখা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।
তিনি বলেন, গত দুই বছর যাবৎ দফায় দফায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা যে পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে যে মন্দাভাব সৃষ্টি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে বেশ কিছুদিন লাগবে।
তিনি এ সময়ে ব্যবসায়ীদের উপর ভ্যাট আদায়ের জন্য কোন ধরনের চাপ সৃষ্টি না করার আহবান জানান।
চেম্বার সভাপতি ব্যবসায়ীগণের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবনা সমূহ যেমন ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ভ্যাটের পরিধি বৃদ্ধি, খুচরা দোকানগুলোতে বিধিবহির্ভূতভাবে ভ্যাট প্রদানের জন্য চাপ না দেওয়া, সুপারশপগুলোতে ক্রেতাসাধারণ কর্তৃক প্রদানকৃত ভ্যাট সিলেট কমিশনারেটের নিবন্ধন তালিকায় আনা, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারের লক্ষ্যে শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে পান আমদানিসহ সকল বৈধ পণ্য আমদানির অনুমতি প্রদান ও ভোলাগঞ্জ স্টেশনে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালুসহ বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাস্টম্স, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, সিলেট চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, পরিচালক মো হিজকিল গুলজার, মুশফিক জায়গীরদার, মুজিবুর রহমান মিন্টু, আলীমুল এহছান চৌধুরী, খন্দকার ইসরার আহমদ রকী, কাজী মো মোস্তাফিজুর রহমান, সরোয়ার হোসেন ছেদু, সচিব গোলাম আক্তার ফারুক, যুগ্ম সচিব নূরানী জাহান কলি, সহকারী সচিব সানু উদ্দিন রুবেল, নির্বাহী কর্মকর্তা শাহআলম রাফি ও আইটি অফিসার মো আতিকুর রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন, সিলেট চেম্বারের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মিনতি দেবী।-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি