ব্রিটেনের বাঙালি কমিউনিটিতে উগ্রপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে

প্রকাশিত April 28, 2017
ব্রিটেনের বাঙালি কমিউনিটিতে উগ্রপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে

লন্ডন প্রতিনিধি : বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আসার পর ব্রিটেনের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে উগ্রপন্থী তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এই তৎপরতা ব্যাপকতা লাভ করে।
লন্ডনে অনুষ্ঠিত ‘উগ্রপন্থী সন্ত্রাস থেকে মুক্তমনাদের সুরক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
বক্তারা বলেন, একদিকে লন্ডন থেকে একটি মহল ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ব্রিটেনের নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশী তরুণ তরুণীদের বিভ্রান্ত করছে অন্যদিকে বাংলাদেশের উগ্রবাদীদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। ইসলামের অপব্যাখ্যার কারণে বিশেষ করে ব্রিটেনের বাংলাদেশী কমিউনিটি উগ্রবাদের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, যুক্তরাজ্য শাখা ও স্বাধীনতা ট্রাস্ট ইউকের যৌথ উদ্যোগে নেটওয়ার্ক ফর সোস্যাল চেঞ্জের সহযোগিতায় বছরব্যাপী রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ২৫ এপ্রিল ইস্ট লন্ডনের মাইক্রোবিজনেস সেন্টারে স্বাধীনতা ট্রাস্ট প্রেসিডেন্ট জুলি বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারের অতিথি আলোচক ছিলেন লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক চেটান বাট। তিনি বাংলাদেশী কমিউনিটিতে উগ্রপন্থার প্রভাব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সেমিনারে অতিথি আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিস্ট অ্যান্ড এথিক্যাল ইউনিয়নের বব চার্চিল ও মনিটরিং প্রজেক্টের সুরেশ গ্রোভার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলাম। প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন, যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ সভাপতি ইসহাক কাজল, গণজাগরণ মঞ্চের অজন্তা দেব রায়, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মাহমুদ এ রউফ, ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদার, সৈয়দা নাজনিন সুলতানা শিখা, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সলিসিটর পিয়া মায়নিন, যুক্তরাজ্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পুষ্পিতা গুপ্ত ও সালিম মাহমুদ।
সাউথ এশিয়ায় ইসলামের নামে সন্ত্রাস বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিস্ট অ্যান্ড এথিক্যাল ইউনিয়নের বব চার্চিল।
মনিটরিং প্রজেক্টের সুরেশ গ্রোভার মৌলবাদী ধর্মীয় সন্ত্রাস মোকাবেলায় তাদের সংগঠন কি সহযোগিতা করতে পারে, তার উপর আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য গণজাগরণ মঞ্চের তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।